acg67-এ শুধু গেম খেলেই নয়, প্রতিটি লেনদেনের সাথে রিওয়ার্ড পয়েন্ট জমা হয়। পয়েন্ট দিয়ে ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন, বোনাস ব্যালেন্স এবং আরও অনেক কিছু পান।
acg67-এর রিওয়ার্ড প্রোগ্রামে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা — শুধু খেলে যান, পুরস্কার আপনাআপনি জমতে থাকে।
প্রতিটি বাজি থেকে পয়েন্ট অর্জন করুন। পয়েন্ট জমিয়ে পরে বোনাস ক্যাশ বা ফ্রি স্পিনে রূপান্তর করুন।
প্রতি সপ্তাহে মোট লোকসানের উপর নির্দিষ্ট হারে ক্যাশব্যাক পান। যত বেশি সদস্যপদ স্তর, তত বেশি ক্যাশব্যাক।
আপনার জন্মদিনে acg67 থেকে বিশেষ উপহার পান। সদস্যপদের স্তর অনুযায়ী বোনাসের পরিমাণ ভিন্ন হয়।
নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমলে জনপ্রিয় স্লট গেমে ফ্রি স্পিন উপভোগ করুন। জিতলে সব টাকা আপনার।
প্ল্যাটিনাম ও ডায়মন্ড সদস্যরা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যিনি সার্বক্ষণিক সহায়তা দেন।
উচ্চ স্তরের সদস্যরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উইথড্র প্রক্রিয়াকরণ পান — সাধারণ সদস্যদের চেয়ে দ্রুত।
acg67-এর রিওয়ার্ড পয়েন্ট সিস্টেম খুবই সহজ। প্রতি ৳১০০ বাজিতে ১টি পয়েন্ট অর্জিত হয়। স্পোর্টস বেটিং, ক্যাসিনো গেম, লাইভ ডিলার — সবখানেই পয়েন্ট পাওয়া যায়।
জমা করা পয়েন্ট দিয়ে সরাসরি বোনাস ক্যাশে রূপান্তর করা যায়। ১০০ পয়েন্ট = ৳৫০ বোনাস ক্যাশ। পয়েন্টের কোনো মেয়াদ নেই — যতদিন অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকবে, পয়েন্টও থাকবে।
যত বেশি খেলবেন, তত উপরের স্তরে উঠবেন — এবং তত বেশি সুবিধা পাবেন।
০ – ৯৯৯ পয়েন্ট
১,০০০ – ৪,৯৯৯ পয়েন্ট
৫,০০০ – ১৯,৯৯৯ পয়েন্ট
২০,০০০ – ৪৯,৯৯৯ পয়েন্ট
৫০,০০০+ পয়েন্ট
acg67-এ পুরস্কার রিডিম করা একদম সহজ। আপনার অ্যাকাউন্টের "রিওয়ার্ড" সেকশনে গেলেই দেখতে পাবেন কত পয়েন্ট জমেছে এবং সেগুলো দিয়ে কী কী পাওয়া যাচ্ছে।
বোনাস ক্যাশ রিডিম করলে সরাসরি আপনার গেমিং ব্যালেন্সে যোগ হয়। ফ্রি স্পিন নির্দিষ্ট স্লট গেমে ব্যবহার করতে হয় এবং জেতা অর্থ সাধারণত ১x ওয়েজারিং শেষ করেই উইথড্র করা যায়।
খেলতে থাকুন
ক্যাশ বা স্পিন
এক ক্লিকে
ব্যালেন্স যোগ
প্রতিটি সদস্যপদ স্তরে কী কী সুবিধা পাওয়া যায় একনজরে দেখুন।
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | প্ল্যাটিনাম | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৩% | ৫% | ৭% | ৮.৫% | ১০% |
| জন্মদিন বোনাস | ৳২০০ | ৳৫০০ | ৳১,৫০০ | ৳৩,০০০ | ৳১০,০০০ |
| মাসিক ফ্রি স্পিন | ৫টি | ১৫টি | ৩০টি | ৫০টি | আনলিমিটেড |
| দ্রুত উইথড্র | — | — | |||
| ব্যক্তিগত ম্যানেজার | — | — | — | ||
| VIP ইভেন্ট | — | — | — | — | |
| পয়েন্ট মাল্টিপ্লায়ার | ১x | ১.৫x | ২x | ৩x | ৫x |
acg67 নিয়মিত বিশেষ রিওয়ার্ড ইভেন্টের আয়োজন করে। ঈদ, পহেলা বৈশাখ, আইপিএল সিজন বা বিশ্বকাপের সময় ডাবল পয়েন্ট ইভেন্ট চলে। এই সময়ে খেললে স্বাভাবিকের দ্বিগুণ পয়েন্ট পাওয়া যায়।
এছাড়া "মিশন রিওয়ার্ড" নামে একটি বিশেষ সিস্টেম আছে যেখানে নির্দিষ্ট গেম খেললে বা নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণ করলে বোনাস পয়েন্ট পাওয়া যায়। অ্যাপ নোটিফিকেশন চালু রাখলে এই ইভেন্টগুলোর আগেই জানতে পারবেন।
অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে acg67-এর পুরস্কার প্রোগ্রাম বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কাছে আলাদাভাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। কারণটা সহজ — এখানে পুরস্কার পেতে কোনো জটিল শর্ত পূরণ করতে হয় না। শুধু নিজের পছন্দের গেম খেলুন, পয়েন্ট জমা হতে থাকবে, এবং যখন মনে চাইবে রিডিম করুন।
বাংলাদেশের অনেক খেলোয়াড় আছেন যারা নিয়মিত বেটিং করেন কিন্তু পুরস্কার প্রোগ্রামের সুবিধা নেন না। এটা অনেকটা বাজার থেকে কিনে লয়্যালটি পয়েন্ট না নেওয়ার মতো। acg67 চায় প্রতিটি সক্রিয় সদস্য যেন তার প্রাপ্য পুরস্কারটুকু পান — তাই সিস্টেমটা ইচ্ছাকৃতভাবে সহজ করে রাখা হয়েছে।
acg67 বিশ্বাস করে যে নিয়মিত খেলোয়াড়রাই প্ল্যাটফর্মের মূল শক্তি। তাই তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা থাকা উচিত। ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড — পাঁচটি স্তরের এই প্রোগ্রামে প্রতিটি স্তরে সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে থাকে।
নতুন সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রোঞ্জ স্তরে শুরু করেন। প্রথম মাসেই সক্রিয়ভাবে খেললে অনেকেই সিলভার বা গোল্ড স্তরে পৌঁছে যান। স্তর পরিবর্তন হয় প্রতি মাসের শেষে সেই মাসের মোট পয়েন্টের ভিত্তিতে।
acg67-এ সব ধরনের গেমেই পয়েন্ট পাওয়া যায়, তবে হার একটু ভিন্ন। স্লট গেমে পয়েন্ট অর্জনের হার সবচেয়ে বেশি — প্রতি ৳১০০ বাজিতে ১.৫ পয়েন্ট। লাইভ ক্যাসিনো গেমে ১ পয়েন্ট এবং স্পোর্টস বেটিংয়ে ০.৮ পয়েন্ট প্রতি ৳১০০ বাজিতে পাওয়া যায়।
বিশেষ ইভেন্টের সময় এই হার দ্বিগুণ বা তিনগুণও হয়। তাই বড় ক্রিকেট ম্যাচ বা বিশ্বকাপের সময় acg67-এ বাজি ধরলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি পয়েন্ট পাওয়া যায়।
সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক হলো acg67-এর পুরস্কার প্রোগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় সুবিধা। প্রতি সোমবার আগের সপ্তাহের মোট নিট লোকসানের উপর ক্যাশব্যাক হিসাব করা হয় এবং সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়। কোনো রিডিম করতে হয় না — এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে।
ডায়মন্ড সদস্যরা ১০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পান। অর্থাৎ কোনো সপ্তাহে যদি ৳১০,০০০ লোকসান হয়, তাহলে সোমবার সকালে ৳১,০০০ সরাসরি ফিরে আসবে অ্যাকাউন্টে। এই ক্যাশব্যাকে কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই — পাওয়া মাত্রই উইথড্র করা যায়।
acg67-এর রেফারেল প্রোগ্রামটাও পুরস্কার সিস্টেমের একটা অংশ। আপনার রেফারেল কোড ব্যবহার করে কেউ নিবন্ধন করলে এবং প্রথম ডিপোজিট করলে আপনি ৫০০ বোনাস পয়েন্ট পান। রেফার করা সদস্য যত বেশি সক্রিয় হবেন, আপনার রিওয়ার্ড তত বাড়তে থাকবে।
অনেক নিয়মিত সদস্য শুধু রেফারেলের মাধ্যমেই প্রতি মাসে গোল্ড বা প্ল্যাটিনাম স্তরে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বাড়তি পয়েন্ট পেয়ে যান।
ড ায়মন্ড স্তরে পৌঁছানো মানে শুধু বেশি ক্যাশব্যাক নয়। acg67-এর VIP প্রোগ্রামে ডায়মন্ড সদস্যরা পান একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, যিনি সরাসরি ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে সাহায্য করেন। বড় উইথড্র রিকোয়েস্ট অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রক্রিয়া হয় এবং বিশেষ ক্রীড়া ইভেন্টে আমন্ত্রণও পাওয়া যায়।
এছাড়া ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য প্রতি মাসে একটি "সারপ্রাইজ গিফট" থাকে — যা হতে পারে বড় বোনাস ক্যাশ, ফ্রি স্পিন প্যাকেজ, বা বিশেষ ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ। এই উপহারের বিষয়টা আগে থেকে জানানো হয় না, তাই সদস্যদের মধ্যে একটা প্রত্যাশার আনন্দ তৈরি হয়।
acg67-এ অর্জিত পয়েন্টের কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই, যতক্ষণ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকে। তবে টানা ৯০ দিন কোনো গেম না খেললে অ্যাকাউন্ট "নিষ্ক্রিয়" হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে এবং জমানো পয়েন্ট মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মাঝেমধ্যে ছোট বাজি হলেও করতে থাকলে পয়েন্ট সুরক্ষিত থাকে।
সদস্যপদ স্তর প্রতি মাসে পুনর্মূল্যায়ন করা হয়। অর্থাৎ একটি মাসে গোল্ড স্তরে থাকলে পরের মাসে গোল্ড ধরে রাখতে হলে নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জন করতে হবে। এটা অনেকের কাছে উদ্বেগজনক মনে হতে পারে, কিন্তু acg67-এর নিয়মিত খেলোয়াড়রা সাধারণত স্বাভাবিক খেলার মাধ্যমেই স্তর ধরে রাখতে পারেন।